মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬ | সময়: ভোর ১:২৪

বিদ্যুৎ-গ্যাস সমস্যা সমাধানে সর্বনিম্ন ২ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী

👁️ ১ Time View
Daraz horizontal banner

দেশে চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা সমাধানে সর্বনিম্ন দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘সবাই বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে কথা বলেছেন। আমরা একধরনের সমস্যার মধ্যে আছি। আমাকে স্বীকার করতেই হবে যে, এটাও অতীত থেকে পাওয়া। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিষয়ে কোনো কিছুই ছয় মাসের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব নয়। এক বছরের মধ্যেও কোনো সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য সর্বনিম্ন দুই বছর সময় লাগবে, সর্বনিম্ন। আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের এই সমস্যা নিয়ে লড়াই করছি।’ রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন

গ্যাস সংকটের ধাক্কায় অস্থির চিনির বাজার

বিদ্যুৎ ও গ্যাস ছাড়া অর্থনীতি আসলেই সামনে এগিয়ে যেতে পারে না উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, ‘তবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবকিছু করার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করছি না। গ্যাসের ক্ষেত্রে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল, অনশোর (স্থলভাগ) স্টোরেজ সুবিধা- সব বিষয় চূড়ান্ত করা হচ্ছে। যা আপনারা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই জানতে পারবেন।’
বিদ্যুৎ খাতে প্রচুর উৎপাদন হলেও সঞ্চালন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমাদের কাছে যে পরিসংখ্যান আসছে, বাস্তবে তা তার চেয়েও অনেক কম। তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পাওয়ার মিক্স বা এনার্জি মিক্স এমন একটি বিষয়, যা নীতির জায়গা থেকে আমরা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছি। আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি থাকবে, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ থাকবে। কয়লা এমন একটি সম্পদ, যা আমাদের রয়েছে। আমরা কয়লাভিত্তিক বিষয়টিও খতিয়ে দেখছি। তাই জ্বালানির একটি সমন্বিত মিশ্রণ নিয়ে আমরা এগোচ্ছি এবং এই সংমিশ্রণটি মোটামুটিভাবে নির্ধারণ করে ফেলেছি। আশা করি, যথাসময়ে আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে একটি বড় পরিবর্তন দেখতে পাবো।’
এমওএস/একিউএফ

Daraz horizontal banner
technoviable
Daraz square banner
technoviable

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ
তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কোর্স বাস্তবায়নের উদ্যোগ

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে