রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬ | সময়: সকাল ৯:১৪

ঢাবিতে ৩য় জাতীয় মানবাধিকার অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণ

👁️ ১ Time View
Daraz horizontal banner

তরুণদের মধ্যে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আয়োজিত ‘৩য় জাতীয় মানবাধিকার অলিম্পিয়াড’ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ঢাবির ড. আব্দুল্লাহ ফারুক অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত আলবার্টো জিওভেনেত্তি। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য মো. শরিফুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চার দিনব্যাপী ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু

অনুষ্ঠানে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত আলবার্টো জিওভেনেত্তি মানবাধিকার সুরক্ষায় তরুণদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, মানবাধিকার কোনো জটিল বা অমূর্ত বিষয় নয়; এটি প্রতিটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সমতা, শিক্ষার অধিকার এবং নির্ভয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখতে আইনজীবী, বিচারক বা কূটনীতিক হওয়ার জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। সহপাঠীর মর্যাদাকে সম্মান করা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং সংবিধান ও মানবাধিকারের মূলনীতিগুলো চর্চার মাধ্যমেই তরুণরা এখন থেকে এ কাজে ভূমিকা রাখতে পারে।
অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ সংবিধান ও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে জানার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, রাষ্ট্রের কাছ থেকে সেবা ও অধিকার নিশ্চিত করতে নাগরিকদের নিজেদের ‘ডিমান্ড সাইড’ বা দাবির জায়গা শক্তিশালী করতে হবে। নাগরিকরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন না হলে রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা কঠিন।

আরও পড়ুন

ঢাবি থেকে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে মাইগ্রেশন ইস্যুতে ভোট, ‘হ্যাঁ’ জয়ী

অধ্যাপক মো. শরিফুল ইসলাম তরুণদের মানবাধিকারের প্রকৃত ‘গার্ডিয়ান’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মানবাধিকার কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা বাণিজ্যের বিষয় নয়; এটি প্রতিটি মানুষের অধিকার। তরুণদের সংবিধানে প্রদত্ত অধিকার সম্পর্কে জানতে হবে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে সোচ্চার হতে হবে।
আলোচনা পর্ব শেষে অলিম্পিয়াডের চূড়ান্ত বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা সনদ তুলে দেওয়া হয়।
আরটি/এমএমকে

Daraz horizontal banner
Daraz square banner
technoviable
technoviable

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সম্পর্কিত পোস্ট