বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | সময়: সকাল ৫:৩৫

আমার মানহানির জন্য দুদক কি দুঃখপ্রকাশ করবে: আসিফ মাহমুদ

👁️ ২ Time View
Daraz horizontal banner

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তবে অনুসন্ধান শুরুর আগে ‘দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ দুদকের এমন বক্তব্যে মানহানি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আসিফ মাহমুদ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, ‘দুদকের মুখপাত্র জনাব আক্তারুল ইসলাম আজ সংবাদ সম্মেলন করে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানালেন। প্রতিটা মিডিয়ায় নিউজ হলো, অনুসন্ধান শুরুর আগেই নাকি উনারা প্রমাণ পেয়ে গেছেন। প্রমাণ ও সত্যতা পাওয়ার নিউজে আসিফ মাহমুদের মানহানি করা হলো।
কিছুক্ষণ পূর্বে তিনি সাংবাদিকদের গ্রুপে মেসেজ দিয়ে বললেন যে, এই ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দ ব্যবহার না করতে। আসিফ মাহমুদের এই মানহানি করার জন্য দুদক কি কোনো অ্যাপোলজি করবে?’

আরও পড়ুন

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু

এর আগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে চার সদস্যের অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে বলে জানায় দুদক। এর নেতৃত্বে আছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ কালাম।
আসিফ মাহমুদ ছাড়াও যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম-সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

দুদকের কাছে আসা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আসিফ মাহমুদ বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি করেছেন। এছাড়া অভিযুক্তরা ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়ন আদেশ করিয়ে ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য দেড় কোটি টাকা এবং পদোন্নতি দিয়ে পছন্দের জায়গায় পদায়ন করার জন্য সর্বমোট দুই কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম-সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, উপসচিব মাসুম আহমেদ এবং যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির (ঢাকা), আনিচ, জাহিদ, ইব্রাহিম (বগুড়া), জুলহাস (বরিশাল), নাকিমউদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ (পাবনা), কোরবান আলী (ধামরাই) ও আলী হোসেনদের (নরসিংদী) নিয়ে একটি চক্র যুব উন্নয়নের সব ধরনের টেন্ডারবাজি, কেনাকাটাসহ দুর্নীতির মহোৎসব চালিয়েছে।
বিএ

Daraz horizontal banner
technoviable
technoviable
Daraz square banner

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সম্পর্কিত পোস্ট