
মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশে ভাঙন রোধে পাইলিং বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বাগেরহাটের রামপালের রমজাইপুর এলাকার ভাঙন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশের রমজাইপুর গ্রামের অনেকাংশ ইতোমধ্যে ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখনই এ ভাঙন ঠেকানো প্রয়োজন। ভাঙন রোধে এখানে পাইলিং বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।
তিনি বলেন, চলমান ড্রেজিংয়ের প্রভাবেও এ এলাকায় ভাঙন হচ্ছে। পাশাপাশি এটি একটি আন্তর্জাতিক নৌপথ হওয়ায় প্রতিনিয়ত জাহাজ চলাচল করে। নৌযানের ঢেউ এবং জোয়ার-ভাটার আঘাতেও ভাঙনের সৃষ্টি হচ্ছে। পাইলিং বাঁধ নির্মাণ করা গেলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সাধারণ মানুষের বসবাসের নিরাপত্তার স্বার্থে এ ভাঙন রোধ করা জরুরি। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে কার্যকর ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারাও টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।
এ সময় উপস্থিত বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল বলেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশে ভাঙনের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি। তবে মোংলা অংশেও ভাঙন রয়েছে। বর্তমানে চ্যানেলের পাঁচ থেকে ছয়টি পয়েন্টে ভাঙন চলছে। এরই মধ্যে তিনটি পয়েন্টে কাজ শুরু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বড় ভাঙনের স্থানগুলোতে স্থায়ী সমাধানের জন্য নতুন করে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
পরিদর্শনের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিরাজ মোল্লাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আবু হোসাইন সুমন/কেএইচকে/এএসএম












